سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔

تفسیر: الملك 67:9

67:9
قالوا بلى قد جاءنا نذير فكذبنا وقلنا ما نزل الله من شيء ان انتم الا في ضلال كبير ٩
قَالُوا۟ بَلَىٰ قَدْ جَآءَنَا نَذِيرٌۭ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ ٱللَّهُ مِن شَىْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِى ضَلَـٰلٍۢ كَبِيرٍۢ ٩
قَالُوْا
بَلٰی
قَدْ
جَآءَنَا
نَذِیْرٌ ۙ۬
فَكَذَّبْنَا
وَقُلْنَا
مَا
نَزَّلَ
اللّٰهُ
مِنْ
شَیْءٍ ۖۚ
اِنْ
اَنْتُمْ
اِلَّا
فِیْ
ضَلٰلٍ
كَبِیْرٍ
۟
وہ کہیں گے کیوں نہیں ! ہمارے پاس خبردار کرنے والا آیا تھا لیکن ہم نے اسے جھٹلا دیا اور ہم نے کہا کہ اللہ نے کوئی شے نہیں اتاری۔ تم تو کھلی گمراہی میں مبتلا ہوگئے ہو۔
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث
آپ 67:6 سے 67:11 آیات کے گروپ کی تفسیر پڑھ رہے ہیں

৬-১১ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ যারা তাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি এবং ওটা কত মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল! এটা গাধার মত উচ্চ ও অপছন্দনীয় শব্দকারী ও উত্তেজনাপূর্ণ জাহান্নাম। এই জাহান্নামের আগুনে তারা জ্বলতে পুড়তে থাকবে। যখন তারা এই জাহান্নামের মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবে তখন তারা ঐ জাহান্নামের শব্দ শুনবে, আর ওটা হবে উদ্বেলিত।ঐ জাহান্নামীদেরকে অত্যধিক লাঞ্ছিত করা এবং তাদের উপর শেষ যুক্তি প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবেনঃ ‘ওরে হতভাগ্যের দল! আল্লাহর রাসূলগণ কি তোমাদেরকে এটা হতে ভয় প্রদর্শন করেননি?' তখন তারা হায়, হায় করতে করতে উত্তর দিবেঃ ‘অবশ্যই আমাদের নিকট আল্লাহর রাসূলগণ সতর্ককারীরূপে এসেছিলেন এবং আমাদেরকে সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু বড়ই দুর্ভাগ্যের বিষয় যে, আমরা তাঁদেরকে মিথ্যাবাদী রূপে গণ্য করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ কিছুই অবতীর্ণ করেননি, আপনারা তো মহাবিভ্রান্তিতে রয়েছেন। এখন আল্লাহর ইনসাফ পরিষ্কারভাবে সাব্যস্ত হয়ে গেছে এবং তাঁর ফরমান পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি যা বলেছিলেন তাই বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে।’ যেমন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আমি শাস্তি প্রদান করি না যে পর্যন্ত না আমি রাসূল প্রেরণ করি।” (১৭:১৫) আর এক জায়গায় আল্লাহ পাক বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “যখন তারা জাহান্নামের নিকট উপস্থিত হবে তখন ওর প্রবেশদ্বারগুলো খুলে দেয়া হবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবেঃ তোমাদের নিকট কি তোমাদের মধ্য হতে রাসূল আসেনি যারা তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের আয়াত আবৃত্তি করতো এবং এই দিনের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে তোমাদেরকে সতর্ক করতো? তারা বলবেঃ অবশ্যই এসেছিল। বস্তুতঃ কাফিরদের প্রতি শাস্তির কথা বাস্তবায়িত হয়েছে।” (৩৯:৭১) এভাবে তারা নিজেরা নিজেদেরকে তিরস্কার করবে এবং বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেক বুদ্ধি প্রয়োগ করতাম তবে আমরা জাহান্নামবাসী হতাম না। অর্থাৎ আমরা বিবেক প্রয়োগ করলে প্রতারিত হতাম না এবং আমাদের মালিক ও খালিক আল্লাহকে অস্বীকার করতাম না। তাঁর রাসূলদেরকে মিথ্যাবাদী জানতাম না এবং তাদের আনুগত্য হতে মুখ ফিরিয়ে নিতাম না। আল্লাহ তা'আলা বলবেনঃ তারা নিজেরাই তো তাদের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে। সুতরাং তাদের জন্যে অভিশাপ!মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “মানুষ কখনো ধ্বংস হবে না যে পর্যন্ত না তারা নিজেরাই নিজেদের অকল্যাণ দেখে নিবে এবং নিজেদের অপরাধ স্বীকার করবে।” অন্য হাদীসে রয়েছেঃ “কেউ জাহান্নামে প্রবেশ করবে না যে পর্যন্ত না সে নিজেই বুঝতে পারবে যে, সে জাহান্নামে যাবারই যোগ্য জান্নাতে নয়।"