سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔

تفسیر: الزمر 39:33

39:33
والذي جاء بالصدق وصدق به اولايك هم المتقون ٣٣
وَٱلَّذِى جَآءَ بِٱلصِّدْقِ وَصَدَّقَ بِهِۦٓ ۙ أُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُتَّقُونَ ٣٣
وَالَّذِیْ
جَآءَ
بِالصِّدْقِ
وَصَدَّقَ
بِهٖۤ
اُولٰٓىِٕكَ
هُمُ
الْمُتَّقُوْنَ
۟
اور وہ شخص جو سچائی لے کر آیا اور وہ جس نے اس کی تصدیق کی یہی لوگ ہیں کہ جو متقی ہیں۔
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث
آپ 39:32 سے 39:35 آیات کے گروپ کی تفسیر پڑھ رہے ہیں

৩২-৩৫ নং আয়াতের তাফসীর: মহামহিমান্বিত আল্লাহ মুশরিকদের সম্পর্কে বলছেন যে, তারা আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করেছে এবং বিভিন্ন প্রকারের অপবাদ দিয়েছে। তাঁর সাথে তারা অন্যদেরকে মা’রূদ বানিয়ে নিয়েছে। কোন সময় তারা ফেরেশতাদেরকে আল্লাহর কন্যারূপে গণ্য করেছে এবং কখনো কখনো তারা সৃষ্টজীবের মধ্য হতে কাউকে তাঁর পুত্র বলেছে। অথচ আল্লাহ তা'আলা এসব বিষয় হতে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত ও পবিত্র। তিনি এগুলো হতে বহু ঊর্ধে রয়েছেন। এ মুশরিকদের মধ্যে আর একটি বদঅভ্যাস এই রয়েছে যে, আল্লাহ তা'আলা নবীদের (আঃ) উপর যে সত্য অবতীর্ণ করেন তা তারা অবিশ্বাস ও মিথ্যা প্রতিপন্ন করে। তাই মহান আল্লাহ বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা বলে এবং সত্য আসার পর তা প্রত্যাখ্যান করে তার চেয়ে বড় যালিম আর কে আছে?অর্থাৎ এ ধরনের লোকই সবচেয়ে বড় যালিম। অতঃপর তাদের জন্যে যে শাস্তি অবধারিত রয়েছে সে সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে সতর্ক করছেন যে, ঐ সব লোকের আবাসস্থল হলো জাহান্নাম যারা মৃত্যুর সময় পর্যন্ত অস্বীকার ও অবিশ্বাসের উপরই থাকবে।মুশরিকদের বদঅভ্যাস এবং ওর শাস্তির বর্ণনা দেয়ার পর আল্লাহ তা'আলা মুমিনদের উত্তম অভ্যাস ও ওর পুরস্কারের বর্ণনা দিচ্ছেন যে, যারা সত্য আনয়ন করেছেন এবং সত্যকে সত্য বলে মেনে নিয়েছেন, অর্থাৎ হযরত মুহাম্মাদ (সঃ), হযরত জিবরাঈল (আঃ) এবং প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি যিনি কালেমায়ে তাওহীদকে স্বীকার করেছেন, আর সমস্ত নবী এবং তাঁদের অনুসারী সমস্ত মুসলিম উম্মত, তাঁদের আকাঙ্ক্ষিত সবকিছুই তাঁদের প্রতিপালকের নিকট রয়েছে এবং এটা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) এই আয়াতের অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তিনিও সত্য আনয়নকারী, পূর্ববর্তী নবীদের (আঃ) সত্যতা স্বীকারকারী এবং তার উপর যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছিল তা তিনি মান্যকারী। সাথে সাথে এই বিশেষণ সমস্ত মুমিনের মধ্যে রয়েছে। তারা আল্লাহ তা'আলার উপর তার ফেরেশতাদের উপর, তাঁর কিতাবসমূহের উপর এবং তাঁর রাসূলদের (আঃ) উপর ঈমান আনয়নকারী। হযরত রাবী ইবনে আনাস (রাঃ)-এর কিরআতে (আরবী) (এবং যারা সত্য আনয়ন করেছে) রয়েছে। হযরত আবদুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম (রঃ) বলেন যে, সত্য আনয়নকারী হলেন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এবং তা মান্যকারী হলো মুসলমান!মহান আল্লাহ বলেনঃ তারাই তো মুত্তাকী বা আল্লাহভীরু। তারা আল্লাহকে ভয় করে এবং শিরক ও কুফরী হতে বেঁচে থাকে। তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাত। তথায় তাদের আকাঙ্ক্ষিত সবকিছুই বিদ্যমান রয়েছে। তারা যখন যা চাইবে তখনই তা পাবে। এই সঙ্কৰ্মশীলদের এটাই পুরস্কার। মহান আল্লাহ তাঁদের পাপ ক্ষমা করেন এবং তাঁদের পুণ্যময় কাজ কবুল করে থাকেন। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ অন্য আয়াতে বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা ওরাই যাদের ভাল কাজগুলো আমি ককূল করে নিবো এবং মন্দ কাজগুলোর জন্যে তাদেরকে ক্ষমা করবো, তারা জান্নাতে অবস্থান করবে, তাদেরকে সত্য ও সঠিক ওয়াদা দেয়া হচ্ছে।” (৪৬:১৬)