سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
زبان منتخب کریں۔

تفسیر: فاطر 35:44

35:44
اولم يسيروا في الارض فينظروا كيف كان عاقبة الذين من قبلهم وكانوا اشد منهم قوة وما كان الله ليعجزه من شيء في السماوات ولا في الارض انه كان عليما قديرا ٤٤
أَوَلَمْ يَسِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَيَنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَـٰقِبَةُ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ وَكَانُوٓا۟ أَشَدَّ مِنْهُمْ قُوَّةًۭ ۚ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُعْجِزَهُۥ مِن شَىْءٍۢ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَلَا فِى ٱلْأَرْضِ ۚ إِنَّهُۥ كَانَ عَلِيمًۭا قَدِيرًۭا ٤٤
اَوَلَمْ
یَسِیْرُوْا
فِی
الْاَرْضِ
فَیَنْظُرُوْا
كَیْفَ
كَانَ
عَاقِبَةُ
الَّذِیْنَ
مِنْ
قَبْلِهِمْ
وَكَانُوْۤا
اَشَدَّ
مِنْهُمْ
قُوَّةً ؕ
وَمَا
كَانَ
اللّٰهُ
لِیُعْجِزَهٗ
مِنْ
شَیْءٍ
فِی
السَّمٰوٰتِ
وَلَا
فِی
الْاَرْضِ ؕ
اِنَّهٗ
كَانَ
عَلِیْمًا
قَدِیْرًا
۟
کیا یہ لوگ زمین میں گھومے پھرے نہیں ہیں پس یہ دیکھتے کہ کیسا ہوا انجام ان کا جو ان سے پہلے تھے حالانکہ وہ طاقت میں ان سے کہیں بڑھ کر تھے ! اور اللہ کی شان ایسی نہیں کہ اسے کوئی بھی چیز آسمانوں میں یا زمین میں عاجز کرسکے یقینا وہ ہرچیز کا علم رکھنے والا ہرچیز پر قادر ہے
تفاسیر
لیئرز
اسباق
تدبرات
جوابات
قرأت
حدیث
آپ 35:44 سے 35:45 آیات کے گروپ کی تفسیر پڑھ رہے ہیں

৪৪-৪৫ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রাসূল (সঃ)-কে খবর দিচ্ছেন ও তাঁকে বলতে হুকুম করছেনঃ ঐ অস্বীকার কারীদেরকে বলে দাও যে, দুনিয়ায় ঘুরে ফিরে দেখো তো, তোমাদের ন্যায় অস্বীকারকারী তোমাদের পূর্ববর্তীদের কি পরিণতি হয়েছে? তাদের নিকট থেকে নিয়ামত ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে, তাদের ঘরবাড়ী উজাড় করে দেয়া হয়েছে, তাদের শক্তি নষ্ট হয়ে গেছে, তাদের ধন-দৌলত ধ্বংস হয়েছে, তাদের সন্তান-সন্ততিকেও ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। আল্লাহর আযাব তাদের উপর থেকে কোনক্রমেই সরেনি। তাদের উপর থেকে বিপদ কেউই সরাতে পারেনি। তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। কেউই তাদের কোন উপকার করতে পারেনি। আল্লাহ তা'আলাকে কেউ অপারগ করতে পারে না। তার কোন ইচ্ছা লক্ষ্যশূন্য হয় না। তাঁর কোন আদেশ কেউ রদ করতে পারে না। সারা বিশ্বজগত সম্বন্ধে তিনি পূর্ণ ওয়াকিফহাল। তিনি সব কিছুই করতে পারেন। আল্লাহ্ তা'আলা যদি মানুষকে তাদের সমস্ত কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও করতেন। ও শাস্তি দিতেন তবে আসমান ও যমীনে যত প্রাণী আছে সবাই ধ্বংস হয়ে যেতো। জীব-জন্তু, খাদ্যবস্তু সবই বরবাদ হয়ে যেতো। জীব-জন্তুর আবাসস্থলে এবং পাখীর বাসায়ও তাঁর আযাব পৌঁছে যেতো। দুনিয়ায় কোন জীব-জন্তু বেঁচে থাকতো না। কিন্তু এখন তাদেরকে অবকাশ দেয়া হয়েছে এবং আযাবকে বিলম্বিত করা হয়েছে। সময় আসছে যে, কিয়ামত সংঘটিত হয়ে যাবে এবং হিসাব-নিকাশ শুরু হয়ে যাবে ! আনুগত্যের বিনিময়ে পুরস্কার এবং অবাধ্যতার বিনিময়ে শাস্তি দেয়া হবে। সময় এসে যাবার পর আর মোটেই বিলম্ব করা হবে না। আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দাদের উপর লক্ষ্য রেখে চলেছেন। তিনি উত্তম দর্শক।