Đăng nhập
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ

Tafsir: Adh-Dhariyat 51:40

51:40
فاخذناه وجنوده فنبذناهم في اليم وهو مليم ٤٠
فَأَخَذْنَـٰهُ وَجُنُودَهُۥ فَنَبَذْنَـٰهُمْ فِى ٱلْيَمِّ وَهُوَ مُلِيمٌۭ ٤٠
فَأَخَذۡنَٰهُ
وَجُنُودَهُۥ
فَنَبَذۡنَٰهُمۡ
فِي
ٱلۡيَمِّ
وَهُوَ
مُلِيمٞ
٤٠
それであれは,かれとその軍勢を捕えて海に投げ込んだ。本当にかれは,けしからぬ者であった。

— Ryoichi Mita

Vì vậy, TA đã túm bắt hắn và binh lính của hắn và ném chúng xuống biển; và hắn là một tên đáng trách.

— Ruwwad Center

Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith
Bạn đang đọc phần chú giải Kinh Qur'an cho nhóm các câu này. 51:38 đến 51:46

৩৮-৪৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা বলেনঃ হযরত লুত (আঃ)-এর কওমের পরিণাম দেখে মানুষ যেমন উপদেশ ও শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, অনুরূপভাবে ফিরাউন ও তার লোকদের ঘটনার মধ্যেও তাদের জন্য শিক্ষা ও উপদেশ রয়েছে। আমি তাদের কাছে আমার পয়গাম্বর হযরত মূসা (আঃ)-কে পাঠিয়েছিলাম। তাকে আমি উজ্জ্বল ও সুস্পষ্ট দলীল-প্রমাণসহ প্রেরণ করেছিলাম। কিন্তু তাদের নেতা অহংকারী ফিরাউন সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে ও ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করে এবং আমার ফরমান হতে বেপরোয়া হয়ে যায়। আল্লাহর এই শক্র স্বীয় শক্তির দাপট দেখিয়ে এবং সেনাবাহিনীর ক্ষমতার গর্বে গর্বিত হয়ে তার ফরমানের অসম্মান করে। সে তার অনুসারীদেরকে সাথে নিয়ে হযরত মূসা (আঃ)-এর ক্ষতি সাধনে ও বিরধিতায় উঠে পড়ে লেগে যায়। হযরত মূসা (আঃ) সম্পর্কে সে মন্তব্য করে যে, তিনি যাদুকর অথবা পাগল। সুতরাং এই অহংকারী, পাপী, কাফির এবং উদ্ধত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা'আলা তার লোক লশকরসহ সমুদ্রে ডুবিয়ে দেন। সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য।মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ বলেনঃ নিদর্শন রয়েছে আ’দের ঘটনায়, যখন আমি প্রেরণ করেছিলাম তাদের বিরুদ্ধে অকল্যাণকর বায়ু। এটা যা কিছুর উপর দিয়ে। বয়ে গিয়েছিল তাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করেছিল। ওটা সড়াপচা হাড়ের মত হয়ে গিয়েছিল।হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “বায়ু দ্বিতীয় যমীনে প্রবাহিত হয়। আল্লাহ তা'আলা যখন আ’দ জাতিকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করেন তখন বায়র রক্ষক (ফেরেশতা)কে নির্দেশ দেন। যে, তিনি যেন তাদেরকে (আ’দ জাতিকে ধ্বংস করার জন্যে বায়ু প্রবাহিত করেন। ফেরেশতা তখন আরয করেনঃ “আমি বাতাসের ভাণ্ডারে কি ততটুকু ছিদ্র করে দিবো যতটুকু ছিদ্র গরুর নাকে রয়েছে?” উত্তরে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “বায়ুর ভাণ্ডারে যদি তুমি ততটুকু ছিদ্র কর তবে তো ওটা যমীনকে এবং ওর মধ্যস্থিত সবকিছুকেই ওলট-পালট করে দিবে। বরং তুমি ওতে অঙ্গুরীর। বৃত্তের সমান ছিদ্র কর।” এটা ছিল ঐ বায়ু যার কথা আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ “এটা যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল তাকেই চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছিল। (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন। এই ফরমান রাসূলুল্লাহ (সঃ) হতে হওয়া অস্বীকৃত। এটাই বুঝা যাচ্ছে যে, এটা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ)-এর উক্তি। ইয়ারমুকের যুদ্ধে তিনি আহলে কিতাবের কিতাবগুলোর দুটি থলে পেয়েছিলেন। সম্ভবতঃ ওগুলো হতেই তিনি এটা বর্ণনা করেছেন। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই। সবচেয়ে ভাল জানেন) এটা ছিল দক্ষিণা বায়ু। সহীহ হাদীসে হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমাকে পূবালী বায়ু দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে, আর আ’দ সম্প্রদায়কে পশ্চিমা বায়ু দ্বারা ধ্বংস করা হয়েছিল।”প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ ‘আরো নিদর্শন রয়েছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাদেরকে বলা হয়েছিলঃ ভোগ করে নাও স্বল্পকাল। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছেঃ ‘তোমাদের নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত তোমরা সুখসম্ভার ভোগ করে নাও।' এটা প্রকাশমান যে, এটা আল্লাহ তাআলার নিম্নের উক্তির মতঃ (আরবী)অর্থাৎ “সামূদ সম্প্রদায়কে আমি হিদায়াত দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা হিদায়াতের উপর অন্ধত্বকে পছন্দ করেছিল, সুতরাং লাঞ্ছনাকর শাস্তিরূপ বজাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করলো।” (৪১:১৭) অনুরূপভাবে এখানে আল্লাহ পাক বলেনঃ ‘আরো নিদর্শন রয়েছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাদেরকে বলা হয়েছিলঃ ভোগ করে নাও স্বল্পকাল। কিন্তু তারা তাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করলো, ফলে তাদের প্রতি বজ্রাঘাত হলো এবং তারা তা দেখছিল। তিন দিন পর্যন্ত তারা শাস্তির লক্ষণ দেখতে থাকে। অবশেষে চতুর্থ দিন অকস্মাৎ তাদের উপর শাস্তি আপতিত হয়ে যায়। তারা অচেতন ও বোধশূন্য হয়ে পড়ে। এতোটুকু তাদেরকে অবকাশ দেয়া হয়নি যে, দাঁড়িয়ে পালাবার চেষ্টা করতে পারে অথবা অন্য কোন উপায়ে জীবন রক্ষার চিন্তা করতে পারে। তাই তো প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহ বলেনঃ তারা উঠে দাঁড়াতে পারলো না এবং তা প্রতিরোধ করতে পারলো না।এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ “আমি ধ্বংস করেছিলাম এদের পূর্বে নূহ। (আঃ)-এর সম্প্রদায়কে, তারা ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।ফিরাউন, আ’দ, সামূদ এবং হযরত নূহ (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের বিস্তারিত ঘটনাবলী ইতিপূর্বে কয়েকটি সূরার তাফসীরে বর্ণিত হয়েছে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।