Đăng nhập
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ

Tafsir: Al-A'raf 7:206

7:206
ان الذين عند ربك لا يستكبرون عن عبادته ويسبحونه وله يسجدون ۩ ٢٠٦
إِنَّ ٱلَّذِينَ عِندَ رَبِّكَ لَا يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِهِۦ وَيُسَبِّحُونَهُۥ وَلَهُۥ يَسْجُدُونَ ۩ ٢٠٦
إِنَّ
ٱلَّذِينَ
عِندَ
رَبِّكَ
لَا
يَسۡتَكۡبِرُونَ
عَنۡ
عِبَادَتِهِۦ
وَيُسَبِّحُونَهُۥ
وَلَهُۥ
يَسۡجُدُونَۤ۩
٢٠٦
本当にあなたの主の側近にいる者は,かれを崇めるのに慢心することなく,かれの栄光を讃えて唱念し,かれにサジダする。〔サジダ〕

— Ryoichi Mita

Quả thật (các Thiên Thần) ở nơi Thượng Đế của Ngươi (hỡi Thiên Sứ) không hề tự cao tự đại trước việc thờ phượng Ngài; Họ luôn tán dương và quỳ lạy Ngài.

— Ruwwad Center

Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith
Bạn đang đọc phần chú giải Kinh Qur'an cho nhóm các câu này. 7:205 đến 7:206

২০৫-২০৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রাসূল (সঃ)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন- দিনের প্রথমভাগে এবং শেষ ভাগে আল্লাহকে খুব বেশী বেশী করে স্মরণ কর। যেমন তিনি এই দু’ আয়াতের মাধ্যমে এই দু’সময়ে তার ইবাদত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলেছেনঃ সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং অনুরূপভাবে সূর্যাস্তের পূর্বে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন কর। এটা শবে মিরাজে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয হওয়ার পূর্বের কথা। এটি মাক্কী আয়াত । গুদুল্লুন শব্দের অর্থ হচ্ছে দিনের প্রথম ভাগ। আর (আরবী) শব্দটি (আরবী) শব্দের বহুবচন। যেমন (আরবী) শব্দের বহুবচন।অতঃপর নির্দেশ দেয়া হচ্ছে- তোমার প্রতিপালককে অন্তরেও স্মরণ কর এবং মুখেও স্মরণ কর। তাঁকে ডাকো জান্নাতের আশা রেখেও এবং জাহান্নামের ভয় করেও। উচ্চশব্দে তাকে ডেকো না। মুসতাহাব এটাই যে, আল্লাহর যিকির হবে নিম্ন স্বরে, উচ্চৈঃস্বরে নয়। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জনগণ জিজ্ঞেস করেঃ “আল্লাহ আমাদের থেকে কাছে। রয়েছেন, না দূরে রয়েছেন? যদি তিনি নিকটে থাকেন তবে আমরা তাঁকে চুপে চুপে সম্বোধন করবো। আর যদি দূরে থাকেন তবে তাকে উচ্চৈঃস্বরে ডাকবো।” তখন আল্লাহ তা'আলা এ আয়াতটি অবতীর্ণ করেনঃ আমার বান্দারা তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করছে (আমি নিকটে আছি না দূরে আছি), তুমি তাদেরক বলে দাও আমি খুবই নিকটে রয়েছি। যখন তারা আমাকে ডাকে তখন আমি তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে থাকি।হযরত আবু মূসা আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, কোন এক সফরে জনগণ উচ্চশব্দে দুআ করতে শুরু করে। তখন নবী (সঃ) বলেনঃ “হে লোক সকল। নিজেদের জীবনের উপর দয়া প্রদর্শন কর। তোমরা কোন বধির বা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছো না । যাকে ডাকছো তিনি শুনতে রয়েছেন এবং তিনি নিকটে রয়েছেন। তিনি তোমাদের গ্রীবার শাহ্ রগ থেকেও নিকটে রয়েছেন।” এই আয়াতের ভাবার্থ নিম্নের আয়াতের মতও হতে পারে- “তোমরা দুআ ও নামায খুব উচ্চ শব্দেও পড়ো না এবং খুব নিম্ন শব্দেও না, বরং এর মাঝামাঝি শব্দে পড়।” কেননা, মুশরিকরা যখন কুরআন শুনতো তখন তারা কুরআনকে, কুরআন অবতীর্ণকারীকে এবং কুরআন আনয়নকারীকে ভালমন্দ বলতো। তখন আল্লাহ পাক নির্দেশ দান করলেনঃ তোমরা খুব উচ্চ শব্দে কুরআন পড়ো না যাতে মুশরিকরা কষ্ট না পায়। আবার এতো নিম্ন স্বরেও পড়ো না যে, তোমার সঙ্গীও শুনতে পায় না। এই আয়াতে কারীমায় এই বিষয়ই রয়েছে- তোমরা তোমাদের সকাল-সন্ধ্যার ইবাদতে উচ্চ স্বরে পড়ো না এবং মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেয়ো না। উদ্দেশ্য হচ্ছে, কুরআনের শ্রোতাকে হুকুম দেয়া হবে যে, এই ঢঙ্গে নামায পড়া ও ইবাদত করা উচিত। এটা খুব দূরের কথা এবং এটা ধীরে পড়ার হুকুমের পরিপন্থী। আবার এর ভাবার্থ এটাও যে, এই হুকুম নামাযের সাথে সম্পর্কযুক্ত, যেমন পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। এটা নামায ও খুত্বার সাথে সম্পর্কযুক্ত। আর এটা স্পষ্ট কথা যে, এরূপ সময়ে যিকির অপেক্ষা নীবর থাকাটাই উত্তম। এই যিকির উচ্চ স্বরেই হাক বা নিম্ন স্বরেই হাক। এ দু’জন যা বর্ণনা করেছেন তা অনুসৃত নয়। বরং উদ্দেশ্য হচ্ছে বান্দাদেরকে সকাল-সন্ধ্যা সব সময় অধিক যিকিরের কাজে উৎসাহিত ও উত্তেজিত করা। যেন তারা কোন অবস্থাতেই আল্লাহর যিকির থেকে বিস্মরণ না হয় এবং উদাসীন না থাকে। এ জন্যেই ঐসব ফেরেশতার প্রশংসা করা হয়েছে যারা সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর যিকিরের কাজে ঔদাসীন্য প্রদর্শন করেন না। তাই আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যারা তোমার প্রভুর সান্নিধ্যে থাকে (অর্থাৎ ফেরেশতামণ্ডলী) তারা অহংকারে তার ইবাদত হতে বিমুখ হয় না। যেমন হাদীসে এসেছে“ফেরেশতারা যেমন আল্লাহর ইবাদতের জন্যে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে যান, তদ্রুপ তোমরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াও না কেন। প্রথম সারিওয়ালাদের অন্যান্য সারিওয়ালাদের উপর প্রাধান্য ও মর্যাদা রয়েছে। তাঁরা সারি বা কাতারকে সোজা করার প্রতি খুবই খেয়াল রাখতেন।” এখানে যে সিজদায়ে তিলাওয়াত রয়েছে এটা হচ্ছে কুরআনের সর্বপ্রথম সিজদায়ে তিলাওয়াত। এটা আদায় করা পাঠক ও শ্রোতা সবারই জন্যে শরীয়তসম্মত কাজ। এতে সমস্ত আলিম একমত । সুনানে ইবনে মাজাহ্র হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এই সিজদাহূকে কুরআন কারীমের সিজদাহ্ সমূহের অন্তর্ভুক্ত বলেছেন।