Đăng nhập
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ

Tafsir: Al-Hajj 22:27

22:27
واذن في الناس بالحج ياتوك رجالا وعلى كل ضامر ياتين من كل فج عميق ٢٧
وَأَذِّن فِى ٱلنَّاسِ بِٱلْحَجِّ يَأْتُوكَ رِجَالًۭا وَعَلَىٰ كُلِّ ضَامِرٍۢ يَأْتِينَ مِن كُلِّ فَجٍّ عَمِيقٍۢ ٢٧
وَأَذِّن
فِي
ٱلنَّاسِ
بِٱلۡحَجِّ
يَأۡتُوكَ
رِجَالٗا
وَعَلَىٰ
كُلِّ
ضَامِرٖ
يَأۡتِينَ
مِن
كُلِّ
فَجٍّ
عَمِيقٖ
٢٧
人びとに,巡礼〔ハッジ〕するよう呼びかけよ。かれらは歩いてあなたの許に来る。あるいは,どれも痩せこけているラクダに乗って,遠い谷間の道をはるばる来る。

— Ryoichi Mita

“Ngươi hãy thông báo kêu gọi nhân loại đến hành hương1 (Ngôi Đền mà Ngươi đã xây). Họ sẽ đi bộ hoặc cưỡi từng con lạc đà gầy yếu đến với Ngươi từ mọi nẻo đường.”

— Ruwwad Center

Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith
Bạn đang đọc phần chú giải Kinh Qur'an cho nhóm các câu này. 22:26 đến 22:27

২৬-২৭ নং আয়াতের তাফসীর: এখানে মুশরিকদেরকে জানিয়ে দেয়া হচ্ছে যে, যে ঘরটির ভিত্তি প্রথম দিন থেকেই তাওহীদের উপর স্থাপন করা হয়েছে ওর মধ্যে তারা শিরক চালু করে দিয়েছে। ঐ ঘরের ভিত্তি স্থাপনকারী হলেন হযরত ইবরাহীম খালীলুল্লাহ (আঃ)। সর্বপ্রথম তিনিই ওটা নির্মাণ করেন। হযরত আবূ যার (রাঃ) রাসূলুল্লাহকে (সঃ)! জিজ্ঞেস করেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! কোন মসজিদটি সর্বপ্রথম নির্মিত হয়?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “মসজিদে হারাম” আবার তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ “তারপর কোন্টি? তিনি জবাব দেনঃ “বায়তুল মুকাদ্দাস। তিনি বলেনঃ “এই দুটি মসজিদের মাঝে কত দিনের ব্যবধান রয়েছেঃ “ তিনি উত্তর দেনঃ “চল্লিশ বছরের ব্যবধান রয়েছে। মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) হতে দুটি আয়াত (৩:৯৬-৯৭)। আর একটি আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “আমি ইবরাহীম (আঃ) ও ইসমাঈলের (আঃ) কাছে ওয়াদা নিয়েছিলামঃ তোমরা দু'জন আমার ঘরকে পবিত্র রেখো তাওয়াফকারীদের জন্যে, ই'তেকাফকারীদের জন্যে এবং রুকু ও সিজুদাকারীদের জন্যে।” বায়তুল্লাহ শরীফের ভিত্তি স্থাপনের পূর্ণ বর্ণনা আমরা ইতিপূর্বে করেছি। সুতরাং এখানে পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন। এখানে মহান আল্লাহ বলেনঃ এটাকে শুধুমাত্র আমার নামে নির্মাণ করো এবং ওকে পবিত্র রাখো শিরক ইত্যাদি হতে এবং ওকে বিশিষ্ট কর ঐ লোকদের জন্যে যারা একত্ববাদী। তাওয়াফ এমন একটি ইবাদত যা সারা ভূ-পৃষ্ঠের উপর একমাত্র বায়তুল্লাহ ছাড়া আর কোথাও লভ্য নয় এবং জায়েযও নয়। অতঃপর আল্লাহ তাআলা তাওয়াফের সাথে নামাযকে মিলিয়ে দেন এবং কিয়াম, রুকু'ও সিজদার উল্লেখ করেন। কেননা, তাওয়াফ যেমন ওর সাথে বিশিষ্ট, অনুরূপভাবে নামাযের কিবলাও এটাই। তবে যখন মানুষ কিবলা কোন্ দিকে তা বুঝতে পারবে না বা জিহাদে থাকবে অথবা সফরে নফল নামায পড়তে থাকে তখন অবশ্যই কিবলার দিকে মুখ না করা অবস্থাতেও নামায হয়ে যাবে। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। অতঃপর নবীকে (সঃ) নির্দেশ দেয়া হয়ঃ মানুষের নিকট তুমি হজ্জের ঘোষণা করে দাও। সমস্ত মানুষকে হজ্জের জন্যে আহবান কর। বর্ণিত আছে যে, ঐ সময় রাসূলুল্লাহ (সঃ) আল্লাহ তাআলার নিকট আরয করেনঃ “হে আমার প্রতিপালক! তাদের সকলের কাছে আমার আওয়ায কি করে পৌঁছবে?” উত্তরে আল্লাহ তাআলা তাকে বলেনঃ “তোমার দায়িত্ব শুধু ডাক দেয়া। আওয়ায পৌঁছানোর দায়িত্ব আমার।” সুতরাং রাসূলুল্লাহ (সঃ) মাকামে ইবরাহীমের উপর বা সাফা পাহাড়ের উপর অথবা আবু কুবায়েস পাহাড়ের উপর দাড়িয়ে ডাক দেনঃ “হে লোক সকল! তোমাদের প্রতিপালক তাঁর একটা ঘর বানিয়েছেন। অতএব, তোমরা ঐ ঘরের হজ্জ কর।” তখন পাহাড় ঝুঁকে পড়ে এবং তার শব্দ সারা দুনিয়ায় গুঞ্জরিত হয়। এমনকি যে বাপের পিঠে ও মায়ের পেটে ছিল তার কানেও তাঁর শব্দ পৌঁছে যায়। প্রত্যেক পাথর, গাছ এবং প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি যার ভাগ্যে হজ্জ লিখিত ছিল, সবাই সমস্বরে লাব্বায়েক বলে ওঠে। পূর্ব যুগীয় বহু গুরুজন হতে এটা বর্ণিত আছে। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী।এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ তারা তোমার কাছে আসবে পব্রজে ও সর্বপ্রকার ক্ষীণকায় উষ্ট্রসমূহের পিঠে সওয়ার হয়ে। তারা আসবে দর-দূরান্তর পথ অতিক্রম করে। এর দ্বারা কোন মনীষী দলীল গ্রহণ করেছেন যে, যার ক্ষমতা রয়েছে তার জন্যে পদব্রজে হজ্জ করা সওয়ারীর উপর চড়ে হজ্জ করা অপেক্ষা উত্তম। কেননা, কুরআন কারীমে প্রথমে পদব্রজীদের উল্লেখ রয়েছে। তারপর সওয়ারীর কথা আছে। কাজেই পদব্রজের দিকে আকর্ষণ বেশী হলো এবং তাদের সাহসিকতার মর্যাদা দেয়া হলো।হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ “আমার এ আকাংখ্য থেকে গেল যে, যদি আমি পব্রজে হজ্জ করতাম! কেননা, আল্লাহ পাকের ঘোষণায় প্রথমে পব্ৰজীদের উল্লেখ আছে। কিন্তু অধিকাংশ বুযুর্গদের উক্তি এই যে, সওয়ারীর উপর হজ্জ করাই উত্তম। কেননা, রাসূলুল্লাহ পূর্ণ ক্ষমতা সত্ত্বেও পজে হজ্জ করেন নাই। সুতরাং সওয়ারীর উপর হজ্জ করলেই রাসূলুল্লাহর (সঃ) পূর্ণ অনুসরণ করা হবে। অতঃপর মহান আল্লাহ বলেনঃ তারা আসবে দূর-দূরান্তর পথ অতিক্রম করে। আল্লাহর আলীলের (আঃ) প্রার্থনাও এটাই ছিল। তিনি প্রার্থনায় বলেছিলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে আল্লাহ! মানুষের অন্তর তাদের দিকে আকৃষ্ট করে দিন!” (১৪:৩৭)সত্যিই অজি দেখা যায় যে, দুনিয়ায় এমন কোন মুসলমান নেই যার অন্তর কা'বা গৃহের যিয়ারতের জন্যে আকৃষ্ট নয়। আর যার অন্তরে তাওয়াফের আকাংখা জাগে না!