Đăng nhập
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ

Tafsir: Al-Isra 17:59

17:59
وما منعنا ان نرسل بالايات الا ان كذب بها الاولون واتينا ثمود الناقة مبصرة فظلموا بها وما نرسل بالايات الا تخويفا ٥٩
وَمَا مَنَعَنَآ أَن نُّرْسِلَ بِٱلْـَٔايَـٰتِ إِلَّآ أَن كَذَّبَ بِهَا ٱلْأَوَّلُونَ ۚ وَءَاتَيْنَا ثَمُودَ ٱلنَّاقَةَ مُبْصِرَةًۭ فَظَلَمُوا۟ بِهَا ۚ وَمَا نُرْسِلُ بِٱلْـَٔايَـٰتِ إِلَّا تَخْوِيفًۭا ٥٩
وَمَا
مَنَعَنَآ
أَن
نُّرۡسِلَ
بِٱلۡأٓيَٰتِ
إِلَّآ
أَن
كَذَّبَ
بِهَا
ٱلۡأَوَّلُونَۚ
وَءَاتَيۡنَا
ثَمُودَ
ٱلنَّاقَةَ
مُبۡصِرَةٗ
فَظَلَمُواْ
بِهَاۚ
وَمَا
نُرۡسِلُ
بِٱلۡأٓيَٰتِ
إِلَّا
تَخۡوِيفٗا
٥٩
われが印を下すことを控えるのは,昔の民がそれを偽りであるとしたからに外ならない。われは以前サムードに,明らかな印の雌ラクダを授けたが,かれらはそれを迫害した。われが印を下すのは,只畏れの念を抱かせるために外ならない。

— Ryoichi Mita

Nguyên nhân khiến TA (Allah) không gởi những dấu hiệu lạ xuống (theo yêu cầu của những kẻ đa thần) là bởi vì các thế hệ trước đây đã phủ nhận chúng, (điển hình) như TA đã gởi xuống cho đám dân Thamud con lạc đà làm minh chứng nhưng họ lại sát hại nó. Và TA gởi các dấu hiệu lạ xuống chỉ nhằm mục đích răn đe.

— Ruwwad Center

Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith

রাসূলুল্লাহর (সঃ) যুগে কাফিররা তাকে বলেছিলঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ)! আপনার পূর্ববর্তী নবীদের কারো অনুগত ছিল বাতাস, কেউ মৃতকে জীবিত করতেন ইত্যাদি। আপনি যদি চান যে, আমরাও আপনার উপর ঈমান আনয়ন করি তবে আপনি এই সাফা পাহাড়টিকে সোনার পাহাড় করে দিন। তাহলে আমরা আপনার সত্যাবাদীতা স্বীকার করে নেবো।” ঐ সময় রাসূলুল্লাহর (সঃ) উপর ওয়াহী আসলোঃ “হে নবী (সঃ)! যদি তোমারও এই আকাংখা হয় যে, আমি একে সোনা করি দেই তবে এখনই আমি এটাকে সোনা করে দিচ্ছি। কিন্তু মনে রাখবে যে, এর পরেও যদি এরা ঈমান আনয়ন না করে তবে আর তাদেরকে অবকাশ দেয়া হবে না। সাথে সাথেই শাস্তি নেমে আসবে এবং এদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হবে। আর যদি তুমি তাদেরকে অবকাশ দেয়া ও চিন্তা করার সুযোগ দেয়া পছন্দ কর তবে আমি তা-ই করবো।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) উত্তরে বললেনঃ “হে আল্লাহ! তাদেরকে বাকী রাখলেই আমি খুশী হবো।” মুসনাদে আরো এটুকু বেশী আছে যে, তারা বলেছিলঃ ‘বাকী’র অন্যান্য পাহাড়গুলি এখান থেকে সরিয়ে দেয়া হোক, যাতে আমরা এখানে চাষাবাদ করতে পারি (শেষ পর্যন্ত)।”অন্য রিওয়াইয়াতে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করেন, তখন হযরত জিবরাঈল (আঃ) আগমন করেন এবং বলেনঃ “আপনার প্রতিপালক আপনাকে সালাম জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে, যদি আপনি চান তবে সকালেই এই পাহাড়টিকে সোনা বানিয়ে দিবেন। কিন্তু এর পরেও যদি তাদের মধ্যে কেউই ঈমান না আনে তবে তাদেরকে এমন শাস্তি দেয়া হবে যা ইতিপূর্বে কাউকেও দেয়া হয় নাই। আর যদি আপনি চান তবে তিনি তাদের জন্যে তাওবা ও রহমতের দরজা খুলে রাখবেন।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) দ্বিতীয়টিই গ্রহণ করেন। মুসনাদে আবি ইয়ালায় বর্ণিত আছে যে, যখন (আরবি) এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয় তখন আল্লাহ তাআলার এই নিদের্শ পালন করার লক্ষ্যে রাসূলুল্লাহ (সঃ) “জাবালে আবি কুরায়েশ’-এর উপর আরোহণ করে বলে ওঠেনঃ “হে আবদে মানাফ! আমি তোমাদেরকে ভয় প্রদর্শনকারী।” এই শব্দ শোনা মাত্রই কুরায়েশরা সেখানে একত্রিত হয়ে যায়। অতঃপর তারা তাঁকে বলেঃ “শুনুন, আপনি নবুওয়াতের দাবীদার। হযরত সুলাইমানের (আঃ) অনুগত ছিল বাতাস। হযরত মূসার (আঃ) বাধ্য ছিল সমুদ্র। হযরত ঈসা (আঃ) মৃতকে জীবিত করতেন। আপনিও যখন একজন নবী তখন এই পাহাড়টিকে এখান থেকে সরিয়ে দিয়ে এই জায়গাকে চাষের উপযুক্ত করে তুলুনঃ যাতে আমরা এখানে কৃষিকার্য করতে পারি। এটা না হলে আমাদের মৃতদেরকে জীবিত করার জন্যে আপনার প্রতিপালকের নিকট প্রার্থনা করুন যাতে আমরা ও তারা মিলিত হয়ে কথাবার্তা বলতে পারি। যদি এটা না হয় তবে এই পাহাড়টিকে সোনা বানিয়ে দিন যাতে আমরা শীত ও গ্রীষ্মের সফর থেকে মুক্তি লাভ করতে পারি।” তৎক্ষণাৎ তাঁর প্রতি ওয়াহী নাযিল হতে শুরু হয়। এটা শেষ হলে তিনি তাদেরকে বলেনঃ “যাঁর হাতে আমার প্রাণ। রয়েছে তাঁর শপথ! তোমরা আমার কাছে যা কিছু চেয়েছিলে ওগুলো হয়ে যাওয়া এবং এর পরেও ঈমান না আনলে রহমতের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়া অথবা তোমাদের জন্যে রহমতের দরজা খোলা থাকা, যাতে তোমরা ঈমান ও ইসলাম আনয়নের পর আল্লাহর রহমত জমা করে নাও, এ দুটোর মধ্যে যে কোন একটি গ্রহণ করার আমাকে অধিকার দেয়া হয়েছে। আমি তোমাদের জন্যে রহমতের দরজা খোলা থাকাকেই পছন্দ করেছি। কেননা, প্রথম অবস্থায় তোমরা ঈমান না আনলে তোমাদের উপর এমন শাস্তি অবতীর্ণ হতো যা তোমাদের পূর্বে আর কারো উপর অবর্তীণ হয় নাই। তাই আমি ভয় পেয়ে গিয়ে দ্বিতীয়টি গ্রহণ করেছি।” তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয়। আর (আরবি) এই আয়াতও অবতীর্ণ হয়। অর্থাৎ নিদর্শনগুলি পাঠাতে এবং তাদের আকাংখিত মু'জিযা’গুলি দেখাতে আমার অপারগতা নেই; বরং এগুলো আমার কাছে খুবই সহজ। তোমার কওম যেগুলি দেখতে চাচ্ছে আমি সেগুলি তাদেরকে দেখিয়ে দিতাম। কিন্তু ঐ অবস্থায় তারা ঈমান না আনলে তারা আমার শাস্তির কবলে পতিত হতো। পূর্ববর্তী লোকদের কথা চিন্তা কর, তারা এতেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।সূরায়ে মায়েদায় রয়েছেঃ “আমি এই খাদ্য তোমাদের উপর অবতীর্ণ করবো, অনন্তর তোমাদের মধ্যে যে এর পর অকৃতজ্ঞ হবে আমি তাকে এমন শাস্তি দিবো যে, বিশ্বাসীদের মধ্যে ঐ শাস্তি আর কাউকেও দিবো না।”সামূদদেরকে দেখো যে, তারা একটি বিশেষ পাথরের মধ্য হতে একটি উষ্ট্রী বের হওয়া দেখতে চাইলো। হযরত সালেহের (আঃ) প্রার্থনায় তা বের হলো। কিন্তু তবুও তারা মানলো না। তারা উষ্ট্রীর পা কেটে ফেললো এবং নবীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করলো। এরপর তাদেরকে তিন দিনের অবকাশ দেয়া হলো। তাদের ঐ উষ্ট্রীটিও আল্লাহ তাআলার একত্বের একটি নিদর্শন ছিল এবং তাঁর রাসূলের সত্যবাদিতার একটি চিহ্ন ছিল। কিন্তু ঐ লোকগুলি এর পরেও কুফরী করে এবং ওর পানি বন্ধ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ওকে হত্যা করে ফেলে। এরই শাস্তি হিসেবে তাদের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সকলকেই ধ্বংস করে দেয়া হয় এবং প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহর কাছে তারা পাকড়াও হয়। এই আয়াতগুলি শুধু ধমকের জন্যেই অবতীর্ণ হয় যাতে তারা উপদেশ ও শিক্ষা গ্রহণ করে।হযরত ইবনু মাসউদের (রাঃ) যুগে কুফায় ভূমিকম্প হয়। তখন তিনি জনগণকে বলেনঃ “আল্লাহ তাআলা চান যে, তোমরা তাঁর দিকে ঝুঁকে পড়। অনতিবিলম্বে তোমাদের তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করা উচিত।” হযরত উমারের (রাঃ) যুগে মদীনায় কয়েকবার ঝটকা বা টান অনুভূত হয়। তখন তিনি জনগণকে বলেনঃ “আল্লাহর কসম! অবশ্যই তোমাদের দ্বারা নতুন কিছু। (অন্যায়) সংঘটিত হয়েছে। এর পর যদি তোমাদের দ্বারা এইরূপ কিছু ঘটে, তবে আমি তোমাদেরকে কঠিন শাস্তি দিবো।”সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “সূর্য। ও চন্দ্র আল্লাহ তাআলার নিদর্শনাবলীর মধ্যে দু'টি নিদর্শন। এগুলিতে কারো মরণ ও জীবনের কারণে গ্রহণ লাগে না বরং আল্লাহ তাআলা এগুলির মাধ্যমে মানুষকে ভয় দেখিয়ে থাকেন। সুতরাং যখন তোমরা এইরূপ দেখবে তখন আল্লাহর যিকর, দুআ ও ক্ষমা প্রার্থনার দিকে ঝুঁকে পড়বে। হে মুহাম্মদের (সঃ) উম্মত! আল্লাহর কসম! আল্লাহ তাআলা অপেক্ষা অধিক লজ্জা ও মর্যাদাবোধ আর কারো নেই যে, তাঁর বান্দা ও বান্দী ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে। হে উম্মতে মুহাম্মদী (সঃ)! আল্লাহর শপথ! আমি যা জানি যদি তা তোমরা জানতে তবে তোমরা হাসতে কম ও কাঁদতে বেশী।”