Đăng nhập
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ

Tafsir: An-Nisa 4:170

4:170
يا ايها الناس قد جاءكم الرسول بالحق من ربكم فامنوا خيرا لكم وان تكفروا فان لله ما في السماوات والارض وكان الله عليما حكيما ١٧٠
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ قَدْ جَآءَكُمُ ٱلرَّسُولُ بِٱلْحَقِّ مِن رَّبِّكُمْ فَـَٔامِنُوا۟ خَيْرًۭا لَّكُمْ ۚ وَإِن تَكْفُرُوا۟ فَإِنَّ لِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًۭا ١٧٠
يَٰٓأَيُّهَا
ٱلنَّاسُ
قَدۡ
جَآءَكُمُ
ٱلرَّسُولُ
بِٱلۡحَقِّ
مِن
رَّبِّكُمۡ
فَـَٔامِنُواْ
خَيۡرٗا
لَّكُمۡۚ
وَإِن
تَكۡفُرُواْ
فَإِنَّ
لِلَّهِ
مَا
فِي
ٱلسَّمَٰوَٰتِ
وَٱلۡأَرۡضِۚ
وَكَانَ
ٱللَّهُ
عَلِيمًا
حَكِيمٗا
١٧٠
人びとよ,使徒は確かに主からの真理をもってあなたがたの許に来た。だからあなたがたは信じなさい。それがあなたがたのために最も良い。例えあなたがたが信じなくても,本当に天と 地の凡てのものは,アッラーの有である。アッラーは全知にして英明であられる。

— Ryoichi Mita

Hỡi nhân loại, chắc chắn Thiên Sứ (Muhammad) đã đến với các ngươi mang theo Chân Lý từ Thượng Đế của các ngươi. Bởi thế, các ngươi hãy tin nơi Y, điều đó tốt cho các ngươi, còn nếu các ngươi phủ nhận Y thì quả thật vạn vật trong các tầng trời và trái đất đều thuộc về Allah. Và Allah là Đấng Hằng Biết, Đấng Sáng Suốt.

— Ruwwad Center

Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith
Bạn đang đọc phần chú giải Kinh Qur'an cho nhóm các câu này. 4:166 đến 4:170

১৬৬-১৭০ নং আয়াতের তাফসীর: পূর্ববর্তী আয়াতসমূহে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নবুওয়াত প্রমাণ করা হয়েছে এবং তাঁর নবুওয়াত অস্বীকারকারীদের দাবী খণ্ডন করা হয়েছে। এজন্যেই এখানে বলা হচ্ছে-‘হে নবী (সঃ)! গুটিকতক লোক তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছে এবং তোমার বিরুদ্ধাচরণ করছে বটে কিন্তু স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা তোমার রিসালাতের সাক্ষ্য প্রদান করছেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন-আল্লাহ তোমার উপর কুরআন মাজীদ ও ফুরকান-ই-হামীদ অবতীর্ণ করেছেন, যার কাছে বাতিল টিকতে পারে না। এর মধ্যে ঐ সমুদয় জিনিসের জ্ঞান রয়েছে। যার উপর তিনি স্বীয় বান্দাদেরকে অবহিত করতে চান। অর্থাৎ প্রমাণাদি, হিদায়াত, ফুরকান, আল্লাহর সন্তুষ্টির ও অসন্তুষ্টির আহকাম, পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সংবাদসমূহ এবং আল্লাহ তা'আলার পবিত্র গুণাবলী। যেগুলো স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা অবহিত না করা পর্যন্ত কোন রাসূল বা কোন নৈকট্য লাভকারী ফেরেশতাও জানতে পারেন না! যেমন ইরশাদ হচ্ছে (আরবী) অর্থাৎ তিনি যা ইচ্ছে করেন তদ্ব্যতীত কেউই তার অনন্ত জ্ঞানের কোন বিষয়ই ধারণা করতে পারে না। (২:২৫৫) অন্য জায়গায় বলা হয়েছে (আরবী) অর্থাৎ “তারা তাঁর জ্ঞান আবেষ্টনীর মধ্যে আনতে পারে না।” (আরবী) হযরত আতা ইবনে সায়েব (রঃ) যখন হযরত আবু আবদুর রহমান (রঃ)-এর নিকট কুরআন কারীম পাঠ শেষ করেন তখন তিনি তাকে বলেনঃ “যে আমলে তোমার চেয়ে বেড়ে যাবে সে ছাড়া আজ তোমার চেয়ে উত্তম আর কেউ নেই।” অতঃপর তিনি (আরবী) এ আয়াতটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করেন। অতঃপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ আল্লাহর সাক্ষ্যের সাথে সাথে ফেরেশতাগণেরও সাক্ষ্য রয়েছে যে, যা তোমার নিকট এসেছে এবং যে অহী তোমারা উপর অবতীর্ণ হয়েছে তা সম্পূর্ণ সত্য।ইয়াহূদীদের একটি দল রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাদেরকে বলেনঃ “আল্লাহর শপথ! আমার নিশ্চিত রূপে জানা রয়েছে যে, আমার রিসালাতের অবগতি তোমাদের রয়েছে।” ঐ লোকগুলো ঐ কথা অস্বীকার করে। তখন মহাসম্মানিত আল্লাহ তাআলা এ আয়াত অবতীর্ণ করেন। এরপর আল্লাহ পাক বলেনঃ যেসব লোক কুফরী করতঃ সত্যের অনুসরণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, এমনকি অন্য লোকদেরকেও সত্য পথে আসতে বাধা দিয়েছে তারা সঠিক পথ হতে সরে পড়েছে এবং প্রকৃত জিনিস থেকে পৃথক হয়ে গেছে। তারা সুপথকে হারিয়ে ফেলেছে। এসব লোক, যারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করেছে, আমার কিতাবকে অমান্য করেছে, আমার পথে আসতে মানুষকে বাধা দিয়েছে, আমার নিষিদ্ধ কার্যাবলী করতে রয়েছে এবং আমার নির্দেশাবলী অমান্য করেছে, আমি তাদেরকে ক্ষমা করবো না এবং তাদেরকে সুপথ প্রদর্শনও করবো না, বরং তাদেরকে জাহান্নামের পথ প্রদর্শন করবো। তথায় তারা চিরকাল অবস্থান করবে। হে লোক সকল! তোমাদের নিকট তোমাদের প্রভুর পক্ষ হতে সত্য নিয়ে তাঁর রাসূল আগমন করেছেন। তোমরা তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতঃ তার আনুগত্য স্বীকার কর। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর যদি তোমরা অস্বীকার কর তবে জেনে রেখো যে, আল্লাহ তাআলা তোমাদের মোটেই মুখাপেক্ষী নন। তোমাদের ঈমান আনয়নে তাঁর কোন লাভও নেই এবং তোমাদের অস্বীকার করাতে তাঁর কোন ক্ষতিও নেই। নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের সমুদয় জিনিস তারই অধিকারে রয়েছে। একথাই হযরত মূসা (আঃ) তাঁর কওমকে বলেছিলেনঃ “যদি তোমরা এবং সারা জগতের সমস্ত লোকও কাফির হয়ে যায় তবুও মহান আল্লাহর কিছুই ক্ষতি করতে পারবে না। তিনি সারা বিশ্ব হতে অমুখাপেক্ষী; তিনি সর্বজ্ঞ। তিনিই জানেন কে সুপথ প্রাপ্তির যোগ্য এবং কে পথভ্রষ্ট হওয়ার যোগ্য। তিনি বিজ্ঞানময়। তাঁর কথা, তাঁর কাজ, তাঁর শরীয়ত এবং তার বিধান সবকিছুই নিপুণতাপূর্ণ।”