— Ryoichi Mita
— Ruwwad Center
হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) জুমআর দিন ফজরের নামাযে ‘আলিফ-লাম-মীম-তানযীল আস্-সাজদাহ' এবং ‘হাল আতা আলাল ইনসানে’ পাঠ করতেন। (এ হাদীসটি ইমাম বুখারী (রঃ) কিতাবুল জুমআ'র মধ্যে বর্ণনা করেছেন)হযরত জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) আলিফ-লামমীম-তানযীল আস্-সাজদাহ’ এবং তাবারাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুক’ এ দু’টি সূরা (রাত্রে) তিলাওয়াত না করে ঘুমাতেন না। (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন) ১-৩ নং আয়াতের তাফসীরসূরাসমূহের শুরুতে যে হুরূফে মুকাত্তাআ'ত রয়েছে ওগুলোর পূর্ণ আলোচনা আমরা সূরায়ে বাকারার তাফসীরের শুরুতে করে এসেছি। সুতরাং এখানে পুনরাবৃত্তির কোন প্রয়োজন নেই। এটা নিঃসন্দেহে সত্য যে, এই কিতাব আল -কুরআন আল্লাহ রাব্বল আলামীনের নিকট হতে অবতীর্ণ হয়েছে। মুশরিকদের এ কথা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এটা স্বয়ং রচনা করেছেন। না, না, এটা তো চরম সত্য কথা যে, এ কিতাব স্বয়ং আল্লাহ তা'আলার পক্ষ হতে অবতীর্ণ করা হয়েছে। এটা এজন্যেই অবতীর্ণ করা হয়েছে যেন রাসূলুল্লাহ (সঃ) এমন কওমকে ভয় প্রদর্শন করেন যাদের কাছে তার পূর্বে কোন নবী আগমন করেননি। যাতে তারা সত্যের অনুসরণ করে পরিত্রাণ লাভ করতে পারে।