— Ryoichi Mita
— Ruwwad Center
৭-৮ নং আয়াতের তাফসীর: উপরে উল্লিখিতি হয়েছে যে, শয়তানের অনুসারীদের স্থান জাহান্নাম। এ জন্যে এখানে বলা হচ্ছেঃ কাফিরদের জন্যে কঠিন শাস্তি রয়েছে, যেহেতু তারা শয়তানের অনুসারী ও রহমানের অবাধ্য। মুমিনদের যদি কোন পাপ হয়ে যায় তবে হয়তো আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। আর তাদের যে পুণ্য রয়েছে তার তারা বড় রকমের বিনিময় লাভ করবে। কাফির ও বদকার লোকেরা তাদের দুষ্কর্মকে ভাল কাজ মনে করে নিয়েছে। মহান আল্লাহ স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলেনঃ এরূপ বিভ্রান্ত লোকদের উপর তোমার কি ক্ষমতা আছে? হিদায়াত করা ও পথভ্রষ্ট করা আল্লাহর হাতে। সুতরাং তোমার তাদের জন্যে চিন্তা না করা উচিত। আল্লাহর লিখন জারী হয়ে গেছে। কাজের গোপন তথ্য সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক ছাড়া আর কেউ জানে না। পথভ্রষ্ট ও হিদায়াত করণেও তাঁর হিকমত নিহিত রয়েছে। তার কোন কাজই হিকমত বহির্ভূত নয়। বান্দার সমস্ত কাজ তার জ্ঞানের মধ্যে রয়েছে। হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর সমস্ত সৃষ্টজীবকে অন্ধকারে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি তাদের উপর নিজের নূর (জ্যোতি) নিক্ষেপ করেছেন। সুতরাং যার উপর ঐ নূর পড়েছে সে দুনিয়ায় এসে সরল-সোজা পথে চলেছে। আর ঐ দিন যে তাঁর নূর লাভ করেনি সে দুনিয়াতে এসেও হিদায়াত লাভে বঞ্চিত হয়েছে। এ জন্যে আমি বলি যে, মহামহিমান্বিত আল্লাহর ইলম অনুযায়ী কলম চলে শুকিয়ে গিয়েছে।” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত যায়েদ ইবনে আবি আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) আমাদের নিকট বেরিয়ে আসেন, অতঃপর বলেনঃ “আল্লাহর সমস্ত প্রশংসা যিনি (বান্দাকে) বিপথ হতে সুপথে আনয়ন করেন এবং যাকে চান তাকে পথভ্রষ্টতায় জড়িয়ে দেন।” (এ হাদীসটি খুবই গরীব বা দুর্বল)