Đăng nhập
Đăng nhập
Đăng nhập
Chọn ngôn ngữ

Tafsir: Maryam 19:87

19:87
لا يملكون الشفاعة الا من اتخذ عند الرحمان عهدا ٨٧
لَّا يَمْلِكُونَ ٱلشَّفَـٰعَةَ إِلَّا مَنِ ٱتَّخَذَ عِندَ ٱلرَّحْمَـٰنِ عَهْدًۭا ٨٧
لَّا
يَمۡلِكُونَ
ٱلشَّفَٰعَةَ
إِلَّا
مَنِ
ٱتَّخَذَ
عِندَ
ٱلرَّحۡمَٰنِ
عَهۡدٗا
٨٧
慈悲深き御方から御許しを得た者の外は,誰も執り成す力を持たないであろう。

— Ryoichi Mita

Họ không có quyền can thiệp cho nhau ngoại trừ người nào đã nhận từ Đấng Độ Lượng sự Giao Ước (đức tin nơi Ngài và nơi vị Thiên Sứ của Ngài).

— Ruwwad Center

Tafsirs
Các lớp
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Hadith
Bạn đang đọc phần chú giải Kinh Qur'an cho nhóm các câu này. 19:85 đến 19:87

৮৫-৮৭ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা তার সংযমী বন্ধু বান্দাদের সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন যে, যারা আল্লাহর কথার উপর ঈমান এনেছে, নবীদের সত্যতা স্বীকার করেছে,আল্লাহর আদেশ নিষেধ মেনে চলেছে, পাপকার্য থেকে দূরে রয়েছে এবং অন্তরে আল্লাহর ভয় রেখেছে তারা আল্লাহর সামনে সম্মানিত মেহমানরূপে। হাজির হবে। তারা জ্যোতির্ময় উষ্ট্রীয় সওয়ারীর উপর আরোহণ করে আসবে এবং আল্লাহর অতিথিশালায় সম্মানের সাথে প্রবেশ করবে। পক্ষান্তরে আল্লাহর অবাধ্য, পাপী ও রাসূলদের শত্রুদেরকে উল্টো মুখে টেনে হেঁচড়ে জাহান্নামের পার্শ্বে নিয়ে আসা হবে। ঐ সময় সে পিপাসায় কাতর হয়ে থাকবে। এখন বলতো, মর্যাদা সম্পন্ন কে এবং উত্তম সঙ্গী বিশিষ্ট কে? মুমিন তার কবর। হতে মুখ উঠিয়ে দেখবে যে, তার সামনে একজন সুদর্শন লোক পরিষ্কারপরিচ্ছন্ন ও পবিত্র পোষাক পরিহিত হয়ে এবং সুগন্ধ ছড়িয়ে উজ্জ্বল চেহারা নিয়ে পঁড়িয়ে রয়েছে। সে জিজ্ঞেস করবেঃ “আপনি কে?” উত্তরে সে বলবেঃ “আমাকে চিনতে পারছেন না? আমি তো আপনার সৎ আমলেরই দেহাকৃতি। আপনার আমল ছিল জ্যোতির্ময়, সুন্দর ও সুগন্ধযুক্ত। আসুন, এখন আপনাকে আমি আমার কাঁধে উঠিয়ে সসম্মানে হাশরের মাঠে নিয়ে যাবো। কেননা, পার্থিব জীবনে আমি আপনার উপর সওয়ার হয়ে ছিলাম।” সুতরাং মু'মিন আল্লাহ তাআলার নিকট সওয়ারীর উপর সওয়ার হয়ে যাবে। তার সওয়ারীর জন্যে উজ্জ্বল উটও প্রস্তুত থাকবে। এসব মুমিন আনন্দের সাথে ও সসম্মানে জান্নাতে প্রবেশ করবে। হযরত আলী (রাঃ) বলেনঃ “প্রতিনিধিদের জন্যে এই নিয়মই নেই যে, তারা পদব্রজে আসবে। এই খোদাভীরু লোকেরা এমন জ্যোতির্ময় উস্ত্রীর উপর সওয়ার হয়ে আসবে যে, সৃষ্টজীবের চোখে এর চেয়ে সুন্দর ও উত্তম সওয়ারী কখনও পড়ে নাই। ওগুলির জিন হবে সোনার। এই লোকগুলি জান্নাতের দরজা পর্যন্ত এই সওয়ারীগুলিরই উপর আরোহণ করে পৌঁছবে। ঐ উষ্ট্রীগুলির লাগাম হবে পোকরাজ পান্নার। (এটা একটি মারফু রিওয়াইয়াত। কিন্তু হাদীসটি খুবই গরীব বা দুর্বল) হযরত আলী (রাঃ) বলেনঃ “একদা আমি রাসূলুল্লাহর (সঃ) নিকট বসে ছিলাম। তার সামনে আমি (আরবী) এই আয়াতটি তিলাওয়াত করি এবং বলিঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! প্রতিনিধি তো সওয়ারীর উপর সওয়ার হয়ে এসে থাকে। তিনি বললেনঃ “যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তার শপথ! যখন তারা তাদের কবর থেকে বের হবে তখন সাদা রঙ-এর জ্যোতির্ময় উষ্ট্রীগুলির উপর সোনার জিন থাকবে। ওগুলির পা হতে জ্যোতি উপরের দিকে উথিত হতে থাকবে। ঐ উষ্ট্রীগুলির এক একটি কদম এতো দূরের ব্যবধানে থাকবে যতদূরে দৃষ্টি যাবে। তারা ওগুলির উপর সওয়ার হয়ে একটি জান্নাতী বৃক্ষের নিকট পৌঁছবে। সেখান থেকে দুটি নহর প্রবাহিত হতে তারা দেখতে পাবে। তার একটির পানি পান করবে, যার ফলে তাদের অন্তরের সব কালিমা দূর হয়ে যাবে। দ্বিতীয়টিতে তারা গোসল করবে। এর ফলে তাদের দেহ আলোকময় হয়ে যাবে আর তাদের মাথার চুল পরিপাটি হয়ে যাবে। এরপরে তাদের চুল আর কখনো এলোমেলো ও অপরিষ্কার হবে না। তাদের চেহারা হয়ে যাবে আলোকোজ্জ্বল। তারপর তারা জান্নাতের দরজায় পৌছে যাবে। স্বর্ণের দরজার উপর লাল ইয়াকৃত বা মণি মাণিক্যের হলকা থাকবে। তাতে তার করাঘাত করবে। এর ফলে একটা সুমধুর স্বর বের হবে এবং হৃরেরা বুঝতে পারবে যে, তাদের স্বামীরা এসে গেছে। জান্নাতের রক্ষক আসবে এবং দরজা খুলে দেবে। তারা তার জ্যোতির্ময় ও পরিচ্ছন্ন চেহারা দেখে সিজদায় পতিত হওয়ার ইচ্ছা করবে, কিন্তু তৎক্ষণাৎ সে বলে উঠবেঃ “আমি তো আপনাদেরই অনুগত এবং আপনাদের আদেশ পালন করতে বাধ্য। তারা তখন তার সাথে চলতে থাকবে। তাদের হুরগুলি আর সহ্য করতে না পেরে তাবু থেকে বেরিয়ে পড়বে এবং তাদের সাথে কোলাকুলি করবে। অতঃপর তারা বলবেঃ “আপনারা তো আমাদের মাথার মুকুট। আপনারা আমাদের প্রেমিক এবং আমরা আপনাদের প্রেমিকা। আমরা চিরস্থায়ী জীবনের অধিকারিণী। আমাদের মৃত্যু নেই। আমরা শান্তি দায়িণী এবং এটা কখনো শেষ হবার নয়। আমরা সব সময় সন্তুষ্ট থাকবে এবং কখনো অসন্তুষ্ট হবে না। আমরা সদা এখানে অব স্থান করবো, কখনো বিচ্ছিন্ন হবো না। তারা ভিতরে প্রবেশ করে দেখবে যে, শত গজ উচু প্রাসাদ রয়েছে। ওর দেয়ালগুলি মণিমুক্তা এবং হলদে লাল ও সবুজ রঙ বিশিষ্ট সোনা দ্বারা নির্মিত। প্রত্যেকটি দেয়াল পরস্পর সাদৃশ্যযুক্ত। প্রত্যেক ঘরে রয়েছে সত্তরটি সিংহাসন, প্রতিটি সিংহাসনে রয়েছে সত্তরটি হাশিয়া, প্রতিটি হাশিয়ায় রয়েছে সত্তরটি হুর, প্রত্যেক জ্বরের উপর রয়েছে সত্তরটি জোড়া। তথাপি, তাদের পায়ের গোছার ঝলক দেখা যায়, তাদের সহবাসের পরিমাণ হবে দুনিয়ার পূর্ণ একটি রাত্রির সমান। সেখানে নির্মল পানি খাটি দুধের যা জন্তু হতে দোহনকৃত নয়, উত্তম, সুস্বাদু, ক্ষতিকারক নয়। এইরূপ পবিত্র মদের এবং মৌমাছির পেট হতে নির্গত নয় এইরূপ খুঁটি মধুর নহর প্রবাহিত হবে। ফল দানকারী বৃক্ষ ফলের ভরে ঝুঁকে পড়বে। ইচ্ছা হলে দাড়িয়ে দাড়িয়ে ফল ছিড়বে, ইচ্ছা হলে বসে বসে এবং ইচ্ছা হলে শুয়েশুয়ে ফল ছিড়ে নেবে। সবুজ ও সাদাপাখী উড়তে থাকবে।যেটারই গোশত খাওয়ার ইচ্ছা হবে তা নিজে নিজেই হাজির হয়ে যাবে। যেখানকার গোশত খাওয়ার ইচ্ছা হবে তাই খেয়ে নিবে। তারপর ঐ পাখি মহান আল্লাহর ক্ষমতা বলে পুনরায় জীবিত হয়ে উড়ে যাবে। চতুর্দিক থেকে ফেরেশতাগণ আসতে থাকবেন এবং সালাম করবেন। আর তাদেরকে শুভ সংবাদ জানিয়ে বলবেনঃ “আপনাদের উপর সালাম বর্ষিত হোক। এটা ঐ জান্নাত যার শুভসংবাদ আপনাদেরকে দেয়া হতো। আজ আপনাদেরকেও ওর মালিক বানিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা হলো বিনিময় আপনাদের সেই ভাল কাজের যা আপনারা দুনিয়ায় করতেন। তাদের হুরসমূহের কোন একটি হৃরের একটি চুল যদি দুনিয়ায় প্রবেশ করে দেয়া হয়, তবে সূর্যের আলো অস্পষ্ট বিবর্ণ হয়ে পড়বে।" (এ হাদীসটি মার’রূপে বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে বিস্ময়ের কিছুই নেই যে, এটা মাওকুফই হবে। যেমন হযরত আলীর (রাঃ) নিজের উক্তি দ্বারাও এটা বর্ণিত আছে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন) ঠিক এর বিপরীত পাপী লোকেরা উল্টো মুখে শৃংখলে আবদ্ধ অবস্থায় জন্তুর মত ধাক্কা খেয়ে জাহান্নামের নিকট একত্রিত হবে। ঐ সময় পিপাসায় তাদের ওষ্ঠাগত প্রাণ হবে। তাদের জন্যে কোন সুপারিশকারী এবং তাদের পক্ষে একটা ভাল কথা উচ্চারণ করার কেউ থাকবে না। মুমিনরা তো একে অপরের জন্যে সুপারিশ করবে। কিন্তু এই হতভাগ্যরা এর থেকে বঞ্চিত থাকবে। তারা নিজেরাই বলবেঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমাদের জন্যে কোন সুপারিশকারী নেই এবং সুহৃদ বন্ধুও নেই।” (২৬:১০০-১০১)। তবে যে দয়াময়ের নিকট প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছে সে ব্যতীত। এটা ‘ইসতিসনা মনকাতা। এই প্রতিশ্রুতি দ্বারা আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্যদান এবং ওর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকাই উদ্দেশ্য। অর্থাৎ যারা শুধুমাত্র আল্লাহরই ইবাদত করে, অন্যান্যদের ইবাদত হতে বেঁচে থাকে, তারই কাছে সাহায্যের আশা রাখে এবং তারই কাছে সমস্ত আশাপূর্ণ হওয়ার বিশ্বাস রাখে তাদেরকেই বুঝানো হয়েছে।হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ যে একত্ববাদীরা আল্লাহর ওয়াদা লাভ করেছে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা বলবেনঃ “যাদের সাথে আমার ওয়াদা রয়েছে তারা দাড়িয়ে যাক।" জনগণ বললোঃ “হে আবু অবিদির রহমান (রাঃ)! আমাদেরকে ওটা শিখিয়ে দিন।” তিনি বললেনঃ তোমরা বলঃ (আরবী) অন্য রিওয়াইয়াতে এর সাথে নিম্নের কথাগুলি রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে আল্লাহ! হে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা! হে অদৃশ্য ও দৃশ্যের খবরজ্ঞাতা! আমি আপনার নিকট এই পার্থিব জগতে প্রতিশ্রুতি নিচ্ছি যে, আপনি আমাকে আমার এমন কাজ হতে দূরে রাখবেন যা আমাকে মন্দের নিকটবর্তী করবে ও ভাল হতে আমাকে দূরে রাখবে। আমি আপনার র হমতের উপর ভরসা রাখি। সুতরাং আপনি আমার জন্যে আপনার নিকট অঙ্গীকার রাখুন যা আপনি কিয়ামতের দিন পূর্ণ করবেন, নিশ্চয় আপনি ওয়াদা খেলাফ করেন না।” “আমি আপনাকে ভয় করি, আপনার নিকট (শাস্তি হতে) রক্ষা পাওয়ার আবেদন জানাই, আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থী এবং আপনার প্রতিই আগ্রহ প্রকাশকারী।”