登入
登入
登入
选择语言

经注: Al-A'raf 7:139

7:139
ان هاولاء متبر ما هم فيه وباطل ما كانوا يعملون ١٣٩
إِنَّ هَـٰٓؤُلَآءِ مُتَبَّرٌۭ مَّا هُمْ فِيهِ وَبَـٰطِلٌۭ مَّا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ١٣٩
إِنَّ
هَٰٓؤُلَآءِ
مُتَبَّرٞ
مَّا
هُمۡ
فِيهِ
وَبَٰطِلٞ
مَّا
كَانُواْ
يَعۡمَلُونَ
١٣٩
那些人所崇拜的神灵是要被毁灭的,他们所行的善功是无效的。
经注
层
课程
反思
答案
基拉特
圣训
7:138至7:139节的经注

১৩৮-১৩৯ নং আয়াতের তাফসীর: বানী ইসরাঈলের অজ্ঞ লোকদের বাসনার বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যে, মূসা (আঃ) যখন তাদেরকে নিয়ে সমুদ্র পার হয়ে গেলেন এবং তারা আল্লাহ তা'আলার এই বিরাট নিদর্শন স্বচক্ষে দেখলো তখন তারা এমন এক সম্প্রদায়ের পার্শ্ব দিয়ে গমন করলো যারা মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়েছিল। কোন কোন মুফাসসির বলেন যে, তারা ছিল কিনআনী গোত্র বা লাখম গোত্র। তারা গাভীর ন্যায় জন্তুর মূর্তি বানিয়ে নিয়েছিল এবং ওরই উপাসনায় লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। এ জন্যেই পরবর্তীতে ওরই সাথে সাদৃশ্যযুক্ত একটি বাছুরের উপাসনায় তারা জড়িয়ে পড়েছিল এবং বলেছিল- “হে মূসা (আঃ)! আমাদের জন্যে একটি মা’রূদ বানিয়ে দিন, যেমন এই লোকগুলোর মা’রূদসমূহ রয়েছে।” মূসা (আঃ) বললেনঃ “তোমরা বড়ই মূর্খ। তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ভুলে বসেছে। তিনি এসব ব্যাপার থেকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র যে, তাঁর শরীক ও সমতুল্য কেউ হতে পারে। তাদের মাযহাবও ভিত্তিহীন এবং আমলও ভিত্তিহীন।”আবৃ ওয়াফিদিল লাইসী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাথে মক্কা থেকে হুনাইনের দিকে যাত্রা শুরু করেছিলাম। পথিমধ্যে কাফিরদের একটি কুল বৃক্ষ আমাদের সামনে পড়ে যার পার্শ্বে তারা আসর জমিয়ে বসেছিল। তারা তাদের অস্ত্রশস্ত্র ঐ গাছে বেঁধে রেখেছিল। এভাবে তারা ঐ গাছটির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছিল। ঐ গাছটিকে (আরবী) বলা হতো। আমরা যখন ঐ গাছের নিকট পৌঁছি তখন দেখি যে, ওটা খুবই সবুজ ও জাকজমকপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমাদের জন্যেও একটা (আরবী)-এর ব্যবস্থা করে দিন, যেমন তাদের রয়েছে। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! তোমরা তো ঐ কথাই বলেছে যে কথা মূসা (আঃ)-এর কওম তাকে বলেছিল। তারা বলেছিলঃ “হে মূসা (আঃ)! আপনি আমাদের জন্যেও একটি মা'বুদ বানিয়ে দিন, যেমন ঐ লোকদের রয়েছে।” তখন মূসা (আঃ) বলেছিলেনঃ “তোমরা তো বড়ই অজ্ঞ ও মূখ। তাদের পন্থা ও তাদের আমল সবই মিথ্যা ও বাতিল।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেনঃ “তোমরাও তাদেরই পদাংক অনুসরণ করতে চাচ্ছ।” (১. এটা ইমাম আহমাদ (রঃ) ও ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এটা পেশ করেছেন)