登入
登入
登入
选择语言

经注: Maryam 19:84

19:84
فلا تعجل عليهم انما نعد لهم عدا ٨٤
فَلَا تَعْجَلْ عَلَيْهِمْ ۖ إِنَّمَا نَعُدُّ لَهُمْ عَدًّۭا ٨٤
فَلَا
تَعۡجَلۡ
عَلَيۡهِمۡۖ
إِنَّمَا
نَعُدُّ
لَهُمۡ
عَدّٗا
٨٤
所以你对他们不要急躁,我只数他们的寿数。
经注
层
课程
反思
答案
基拉特
圣训
19:81至19:84节的经注

৮১-৮৪ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা কাফির ও মুশরিকদের সম্পর্কে খবর দিচ্ছেন তারা ধারণা করছে যে, আল্লাহ ছাড়া অন্যান্য যে সব মাবুদের তারা উপাসনা করছে তারা তাদের সহায়ক ও সাহায্যকারী হবে। কিন্তু এটা তাদের সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। তাদের পূর্ণ মুখাপেক্ষিতার দিন অর্থাৎ কিয়ামতের দিন তারা এদের উপাসনাকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে বসবে এবং তাদের শত্রু হয়ে যাবে। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “তার চেয়ে বেশী পথভ্রষ্ট আর কে আছে যে আল্লাহ ছাড়া অন্যান্যদেরকে আহবান করে; যারা কিয়ামতের দিন তার ডাকে সাড়া দেবে না এবং তারা তার আহবান থেকে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকবে। যখন লোকদেরকে একত্রিত করা হবে তখন উপাস্যরা উপাসকদের শত্রু হয়ে যাবে। এবং তাদের উপাসনাকে অস্বীকার করে বসবে।"(আরবী) এর আর একটি কিরআত (আরবী) ও রয়েছে। সেই দিন এই কাফিররা নিজেরাও আল্লাহ ছাড়া অন্যান্যদের ইবদিতকে অস্বীকার করবে। এই সব উপাস্য ও উপাসক জাহান্নামী হবে। তারা একে অপরের উপর লানত। করবে এবং পরস্পর একে অপরের উপর দোষারোপ করবে। সেইদিন তারা। পরস্পরে কঠিন ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে পড়বে। তাদের পরস্পরের সম্পর্ক সেই দিন ছিন্ন হয়ে যাবে। একে অপরের চরম শত্রুতে তারা পরিণত হবে। সাহায্য করা তো দূরের কথা, সেদিন তাদের মানবতাবোধও থাকবে না। উপাস্যরা উপাসকদের জন্যে এবং উপাসকরা উপাস্যদের জন্যে দুঃখ ও আফসোসের কারণ হবে।মহান আল্লাহ বলেনঃ হে নবী (সঃ)! তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, আমি কাফিরদের জন্যে শয়তানদেরকে ছেড়ে রেখেছি? তারা সব সময় তাদেরকে মন্দকর্মে বিশেষভাবে প্রলুব্ধ করতে রয়েছে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদেরকে উস্কানী দিতে আছে। তাদেরকে তারা বিদ্রোহী ও উদ্ধত করে তুলছে। যেমন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা বলেনঃ “যে ব্যক্তি দয়াময়ের যিকর হতে মুখ ফিরিয়ে নেয়, আমি তার উপর শয়তানের আধিপত্য বিস্তার করি এবং সে। তার সঙ্গী হয়ে যায়।”মহান আল্লাহ স্বীয় নবীকে (সঃ) বলেন :তুমি তাদের বিষয়ে তাড়াতাড়ি করো না এবং তাদের জন্যে বদ দুআ করো না। আমি ইচ্ছা করেই তাদেরকে অবকাশ দিয়ে রেখেছি। তাদের পাপকার্য বৃদ্ধি পেতে থাকুক। তাদেরকে পাকড়াও করার দিন ও কাল আমি গণনা করে রেখেছি। যখন ঐ নির্ধারিত কাল এসে যাবে, তখন আমি তাদেরকে পাকড়াও করবো এবং কঠিন শাস্তি দেবো। আমি যালিমদের কৃতকর্ম হতে উদাসীন নই। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “যালিমরা যা করছে তার থেকে তুমি আল্লাহকে উদাসীন ও অমনোযোগী মনে করো না।” (১৪:৪২) আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “অতএব কাফিরদেরকে অবকাশ দাও; তাদেরকে অবকাশ দাও কিছুকালের জন্যে।”(৮৬:১৭) আর এক জায়গায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি অবকাশ দিয়ে থাকি যাতে তাদের পাপ বৃদ্ধি পায়।" (৩:১৭৮) অন্যত্র বলেছেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি তাদেরকে অল্পদিনের জন্যে সুখ ভোগ করাবো, অতঃপর তাদেরকে ভীষণ শাস্তির দিকে আসতে বাধ্য করবো।” (৩১:২৪) আর এক স্থানে বলেছেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে নবী (সঃ)! তুমি বলে দাওঃ “তোমরা উপকার ও সুখভোগ করে নাও, তোমাদের প্রকৃত ঠিকানা জাহান্নামই বটে।" (১৪:৩০)আল্লাহ তাআলা বলেনঃ আমি তো গণনা করছি তাদের নির্ধারিত কাল। অর্থাৎ আমি তাদের বছর, মাস, দিন এবং সময় গণনা করতে রয়েছি। নির্ধারিত সময় এসে গেলেই তাদের উপর শাস্তি এসে পড়বে।