登入
登入
登入
选择语言

经注: Al-Baqarah 2:210

2:210
هل ينظرون الا ان ياتيهم الله في ظلل من الغمام والملايكة وقضي الامر والى الله ترجع الامور ٢١٠
هَلْ يَنظُرُونَ إِلَّآ أَن يَأْتِيَهُمُ ٱللَّهُ فِى ظُلَلٍۢ مِّنَ ٱلْغَمَامِ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ وَقُضِىَ ٱلْأَمْرُ ۚ وَإِلَى ٱللَّهِ تُرْجَعُ ٱلْأُمُورُ ٢١٠
هَلۡ
يَنظُرُونَ
إِلَّآ
أَن
يَأۡتِيَهُمُ
ٱللَّهُ
فِي
ظُلَلٖ
مِّنَ
ٱلۡغَمَامِ
وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ
وَقُضِيَ
ٱلۡأَمۡرُۚ
وَإِلَى
ٱللَّهِ
تُرۡجَعُ
ٱلۡأُمُورُ
٢١٠
他们只等待真主在云荫中与众天神同齐降临,事情将被判决。一切事情,只归真主安排。
经注
层
课程
反思
答案
基拉特
圣训

এই আয়াতে মহান আল্লাহ কাফিরদেরকে ধমক দিয়ে বলছেন যে, তারা কি কিয়ামতেরই অপেক্ষা করছে যে দিন সত্যের সঙ্গে ফায়সালা হয়ে যাবে এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তার কৃতকর্মের ফলভোগ করবে: যেমন অন্য জায়গায় রয়েছে, ‘যে দিন পৃথিবী টুকরো টুকরো হয়ে উড়ে যাবে এবং স্বয়ং তোমার প্রভু এসে যাবেন, ফেরেস্তাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে যাবে, দোযখকেও সামনে এনে দাড় করানো হবে, সেদিন এসব লোক শিক্ষা ও উপদেশ লাভ করবে, কিন্তু তাতে আর কি উপকার হবে:' অন্যস্থানে রয়েছে, তারা কি এরই অপেক্ষা করছে যে, তাদের নিকট ফেরেস্তারা এসে যাবে বা স্বয়ং আল্লাহ তাআলাই এসে যাবেন কিংবা তার কতকগুলো নিদর্শন এসে যাবে: যদি এটা হয়েই যায় তবে না ঈমান কোন কাজ দেবে, না সৎ কার্যাবলী সম্পাদনের সময় থাকবে।ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এখানে একটি দীর্ঘ হাদীস এনেছেন যার মধ্যে শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া ইত্যাদির বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। এর বর্ণনাকারী হচ্ছেন হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ)। মুসনাদ ইত্যাদির মধ্যে এই হাদীসটি রয়েছে। এর মধ্যে বর্ণিত আছে যে, যখন মানুষ ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে তখন তারা নবীদের (আঃ) নিকট সুপারিশের প্রার্থনা জানাবে। হযরত আদম (আঃ) থেকে নিয়ে এক একজন নবীর কাছে তারা যাবে এবং প্রত্যেকের কাছে পরিষ্কার জবাব পেয়ে ফিরে আসবে। অবশেষে তারা আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর নিকট পৌছবে। তিনি উত্তর দেবেন, আমি প্রস্তুত আছি। আমিই তার অধিকারী। অতঃপর তিনি যাবেন এবং আরশের নীচে সিজদায় পড়ে যাবেন। তিনি আল্লাহ তা'আলার নিকট সুপারিশ করবেন যে, তিনি যেন বান্দাদের ফায়সালার জন্যে আগমন করেন। আল্লাহ তা'আলা তাঁর সুপারিশ কবুল করবেন এবং মেঘমালার ছত্রতলে সমাগত হবেন। দুনিয়ার আকাশও ফেটে যাবে এবং তার সমস্ত ফেরেস্তা এসে যাবেন। অতঃপর দ্বিতীয় আকাশটিও ফেটে যাবে এবং ওর ফেরেস্তাগণও এসে যাবেন। এভাবে সাতটি আকাশই ফেটে যাবে এবং সেগুলোর ফেরেস্তাগণ এসে যাবেন। এরপর আল্লাহ তাআলার আরশ নেমে আসবে এবং সম্মানিত ফেরেস্তাগণ অবতরণ করবেন এবং স্বয়ং মহা শক্তিশালী আল্লাহ আগমন করবেন। সমস্ত ফেরেস্তা তাসবীহ পাঠে লিপ্ত হয়ে পড়বেন। সেই সময় তারা নিম্নলিখিত তাসবীহ পাঠ করবেনঃ (আরবি)অর্থাৎ সাম্রাজ্য ও আত্মার অধিকারীর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। সম্মান ও অসীম ক্ষমতার অধিকারীর প্রশংসা কীর্তন করছি। সেই চিরঞ্জীবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি যিনি মৃত্যুবরণ করেন না। তাঁরই গুণগান করছি যিনি সৃষ্টজীবসমূহের মৃত্যু ঘটিয়ে থাকেন এবং তিনি নিজে মৃত্যুমুখে পতিত হন না। ফেরেস্তাগণ ও আত্মার প্রভুর তাসবীহ পাঠ করছি। আমাদের বড় প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। সাম্রাজ্য ও শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারীর আমরা গুণকীর্তন করছি। সদা-সর্বদা তারই পবিত্রতা বর্ণনা করছি।'হাফিয ইবনে আবু বকর মিরদুওয়াই (রঃ) এই আয়াতের তাফসীরে অনেক হাদীস এনেছেন সেগুলোর মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। ওগুলোর মধ্যে একটি এই যে,রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা পূর্ববর্তী ও পরবর্তীদেরকে ঐ দিন একত্রিত করবেন যার সময় নির্ধারিত রয়েছে। তাদের দৃষ্টিগুলো আকাশের দিকে থাকবে। প্রত্যেকেই ফায়সালার জন্যে অপেক্ষমান থাকবে। আল্লাহ তা'আলা মেঘমালার ছত্রতলে আরশ হতে কুরসীর উপর অবতরণ করবেন। মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিমের মধ্যে রয়েছে, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন যে, যে সময় তিনি অবতরণ করবেন সেই সময় তার মধ্যে ও তার সৃষ্টজীবের মধ্যে সত্তর হাজার আবরণ থাকবে। আবরণগুলো হবে আলো, অন্ধকার ও পানির আবরণ। পানি অন্ধকারের মধ্যে এমন শব্দ করবে যার ফলে অন্তর কেঁপে উঠবে ।হযরত যুহাইর বিন মুহাম্মদ (রঃ) বলেন যে, ঐ মেঘপুঞ্জের ছায়াতল মণি দ্বারা জড়ান থাকবে এবং তা হবে মুক্তা ও পান্না বিশিষ্ট। হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, এই মেঘমালা সাধারণ মেঘমালা নয়। রবং এটা ঐ মেঘমালা যা তীহ উপত্যকায় বানী ইসরাঈলের মস্তকোপরি বিরাজমান ছিল। হযরত আবুল আলিয়া (রঃ) বলেন যে, ফেরেস্তাগণও মেঘপুঞ্জের ছায়াতলে আসবেন এবং আল্লাহ তা'আলা যাতে চাবেন তাতেই আসবেন। কোন কোন পঠনে এও আছে (আরবি)অর্থাৎ তারা কি এই অপেক্ষাই করছে যে, আল্লাহ তাদের নিকট আগমন করবেন এবং ফেরেস্তাগণ মেঘমালার ছায়াতলে আসবে:' অন্য জায়গায় রয়েছেঃ(আরবি) অর্থাৎ ‘সেইদিন আকাশ মেঘসই ফেটে যাবে এবং ফেরেস্তাগণ অবতরণ করবেন।' (২৫:২৫)