Al-A'raf 7:179 ولقد ذرانا لجهنم كثيرا من الجن والانس لهم قلوب لا يفقهون بها ولهم اعين لا يبصرون بها ولهم اذان لا يسمعون بها اولايك كالانعام بل هم اضل اولايك هم الغافلون ١٧٩
وَلَقَدْ
ذَرَاْنَا
لِجَهَنَّمَ
كَثِیْرًا
مِّنَ
الْجِنِّ
وَالْاِنْسِ ۖؗ
لَهُمْ
قُلُوْبٌ
لَّا
یَفْقَهُوْنَ
بِهَا ؗ
وَلَهُمْ
اَعْیُنٌ
لَّا
یُبْصِرُوْنَ
بِهَا ؗ
وَلَهُمْ
اٰذَانٌ
لَّا
یَسْمَعُوْنَ
بِهَا ؕ
اُولٰٓىِٕكَ
كَالْاَنْعَامِ
بَلْ
هُمْ
اَضَلُّ ؕ
اُولٰٓىِٕكَ
هُمُ
الْغٰفِلُوْنَ
۟
আমি বহু সংখ্যক জ্বীন আর মানুষকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি, তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তা দিয়ে উপলব্ধি করে না, তাদের চোখ আছে কিন্তু তা দিয়ে দেখে না, তাদের কান আছে কিন্তু তা দিয়ে শোনে না, তারা জন্তু-জানোয়ারের মত, বরং তার চেয়েও পথভ্রষ্ট, তারা একেবারে বে-খবর।
তাফসীর পড়ুন
তাফসির ইবনে কাছের রহ
একবার রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কোন এক আনসারীর ছেলের জানাযায় হাযির হওয়ার সুযোগ ঘটে। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ “আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! এ ছেলেটি তো জান্নাতের একটি পাখী! সে কোন খারাপ কাজও করেনি এবং জাহান্নাম তার ঠিকানাও নয়।” তিনি তখন বলেনঃ “হে আয়েশা (রাঃ)! তা হলে শুননা।
…একবার রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কোন এক আনসারীর ছেলের জানাযায় হাযির হওয়ার সুযোগ ঘটে। হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ “আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, হে আল্লা
…