Az-Zumar 39:3 الا لله الدين الخالص والذين اتخذوا من دونه اولياء ما نعبدهم الا ليقربونا الى الله زلفى ان الله يحكم بينهم في ما هم فيه يختلفون ان الله لا يهدي من هو كاذب كفار ٣
اَلَا
لِلّٰهِ
الدِّیْنُ
الْخَالِصُ ؕ
وَالَّذِیْنَ
اتَّخَذُوْا
مِنْ
دُوْنِهٖۤ
اَوْلِیَآءَ ۘ
مَا
نَعْبُدُهُمْ
اِلَّا
لِیُقَرِّبُوْنَاۤ
اِلَی
اللّٰهِ
زُلْفٰی ؕ
اِنَّ
اللّٰهَ
یَحْكُمُ
بَیْنَهُمْ
فِیْ
مَا
هُمْ
فِیْهِ
یَخْتَلِفُوْنَ ؕ۬
اِنَّ
اللّٰهَ
لَا
یَهْدِیْ
مَنْ
هُوَ
كٰذِبٌ
كَفَّارٌ
۟
জেনে রেখ, খালেস দ্বীন কেবল আল্লাহরই জন্য। যারা তাঁকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে অভিভাবক বানিয়ে নিয়েছে তারা বলে- আমরা তাদের ‘ইবাদাত একমাত্র এ উদ্দেশ্যেই করি যে, তারা আমাদেরকে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দেবে। (সত্য পথ থেকে সরে গিয়ে মিথ্যে পথ ও মতের জন্ম দিয়ে) তারা যে মতভেদ করছে, আল্লাহ তার চূড়ান্ত ফয়সালা করে দেবেন। যে মিথ্যেবাদী ও কাফির আল্লাহ তাকে সঠিক পথ দেখান না।
তাফসীর পড়ুন
তাফসির ইবনে কাছের রহ
হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “রাসূলুল্লাহ (সঃ) নফল রোযা এমন পর্যায়ক্রমে রেখে চলতেন যে, আমরা ধারণা করতাম, তিনি বুঝি রোযা রাখা বন্ধ আর করবেনই না। আবার কখনো কখনো এমনও হতো যে, তিনি পরপর বেশ কিছু দিন রোযা রাখতেনই না। শেষ পর্যন্ত আমরা ধারণা করতাম যে, তিনি বুঝি (নফল) রোযা আর রাখবেনই না। আর তিন
…হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “রাসূলুল্লাহ (সঃ) নফল রোযা এমন পর্যায়ক্রমে রেখে চলতেন যে, আমরা ধারণা করতাম, তিনি বুঝি রোযা রাখা বন্ধ আর করবে
…